Chand Roje aur meri jaan

Chand roj

          চন্দ্ রোজ অউর, মেরি জান

চন্দ্ রোজ অউর, মেরি জান ! ফকত্ চন্দ্ হি রোজ ।
জুল্ম কিই ছাঁও মেঁ দম্ লেনে পে মজবুর হ্যায় হম্ ;
ঔর কুছ দের সিতম্ সহ-লেঁ , তড়প্-লেঁ , রো-লেঁ ।
অপনে অজদাদ কি মিরাস হ্যায়, মজুর হ্যাঁয় হম্,
জিসম্ পর য়েদ হ্যায়, জবাত পে ঞ্জিরেঁ হ্যাঁয় ,
ফিকর মহবুস হ্যায়, গুফতার পে তহজিঁরে হ্যাঁয় –
অপনি হিম্মত হ্যায় কে হম্ ফির ভী জিয়ে জাতে হ্যাঁয় ।
 
জিন্দগী ক্যয়া কিসি মাফলিস কি বা হ্যায় জিস্-মেঁ
হর্ ঘড়ি দর্দ কে পয়ওয়ন্দ লগে জাতে হ্যাঁয় ?
লেকিন্ অব্ জুলম্ কি মিহয়াদ কে দিন্ থোড়ে হ্যাঁয়,
এক রা সব্র, কে ফরিয়াদ কে দিন্ থোড়ে হ্যাঁয় ।
অনুবাদ
       আরও কিছু দিন, আমার প্রিয়া!
আরও কিছু দিন, আমার প্রিয়া ! শুধু কিছু দিন মাত্র ।
অত্যাচারের ছায়ায় নিঃশ্বাস নিতে আমরা বাধ্য ;
আর একটুখানি আমরা কষ্ট সহ্য ক্রি, অস্থির হি, কেঁদে নিই ।
এতো আমাদের পূর্বপুরুষের দান, আমাদের দোষ নয় ,
দেহের পরে বন্ধন, অনুভূতির পরে শিকল বাঁধা
আমাদের চিন্তা শক্তি বন্দী, আমাদের বাক্ শক্তির উপর আছে পাহারা –
আমরা যে তবু বেঁচে আছি, এ শুধু আমাদেরই হিম্মতের জোরে ।
আমাদের এই জীবন কি কোন ভিক্ষুকের আলখাল্লা, যার উপর
সব সময় বেদনার তালি পড়েই চলেছে ?
কিন্তু এখন অত্যাচারের দিন ফুরিয়ে এসেছে,
আর একটু সবুর করো, এই অভিযোগের দিন আর অল্পই বাকি ।

 

 

 

 

 

 

AAj ki raat

   Aak ki raat

     

    আজ কি রাত

আজ কি রাত সা-এ-দর্দ ন ছেড়্;
দুখ সে ভরপুর দিন্‌ তমাম হুয়ে,
ঔর কল্ কি ব্র কিসে মালুম ?
দোশ ও ফর্দা কি মিট্ চুকি হ্যঁয় হদুদ,
হো ন হো অব্ সহর, কিসে মালুম?
জিন্দগী হেচ্! লেকিন্‌ আজ কী রাত
জাদিয়ৎ হ্যয় মুমকিন্‌ আজ কী রাত ।
আজ কী রাত সা-এ-দর্দ ন ছেড়,
অব্ ন দোহরা ফসানাহ্‌-এ-অলম্,
অপনি কিসমৎ পে সোগওয়ার ন হো,
ফিকর্-এ-ফর্দা উতার দে দিল্ সে,
উমর্-এ-রফ্তা পে অশক্-বার ন হো ;
অহদ্-এ-ম্ কি হীকাইয়াতেঁ মত্ পুছ –
হো চুকি সব্ শীকাইয়াতেঁ মত্ পুছ;
আজ কী রাত সা-এ-দর্দ ন ছেড় ।
       অনুবাদ

            আজকের রাত

 আজ রাতে বেদনার বীণাটি বাজিওনা ,
ব্যাথায় ভরপুর দিন তো এখন শেষ হোল,
আর আগামীকালের খবর কেই বা জানে ।
গতকাল এবং আগামীকালের সীমানা মুছে গেছেঃ
আবার ভোর হবে কী না হবে তা কেই বা জানে ?
এ জীবন কিছু নয় – শুধু আজকের রাত!
দেবত্ব সম্ভব – শুধু আজকের রাত!
আজকের রাতটিতে কোন ব্যথিত বীণার তার স্পর্শ কোরনা,
এখন আর পুনরাবৃত্তি কোরনা কোন দুঃখের কাহিনীর –
আপন ভাগ্যের কথা ভেবে বেদনার্ত হয়োনা
আগামীকালের চিন্তা মন থেকে ঝেড়ে ফেলে দাও,
যে সময় চলে গেছে তার জন্য অশ্রুপাত কোরনা;
দুঃখদিনের কোন কাহিনী জানতে চেওনা;
সব অভিযোগ শেষ হয়ে গেছে- জিজ্ঞাসা কোরনা;
আজকের রাতে ওই বেদনার বীণাটি আর বাজিওনা ।

 

 

Ek Manzar

MP6

 

        এক মন

 

বাম-ও-দর্ খামোশিকে বোঝ শে চূর,
আশমানোঁ সে জু-এ-দর্দ রওয়াঁ ,
চান্দ্‌ কা দুখ্‌-ভরা ফসানা-এ-নূর-
শাহরাহোঁ কি খাক মেঁ ঘল্‌তাঁ,
খোয়াবগাহোঁ মেঁ নিম্ তারিকি,
মহি্ল লাই রবাব-এ-হস্‌তি কি
হল্‌কে হল্‌কে সুরোঁ মেঁ নওহ-কুনাঁ!
অনুবাদ

 

একটি দৃশ্য
নৈশব্দের ভারে যেন ছাত আর দরজা ভেঙে পড়ছে,
আকাশ থেকে এক বেদনার নদী বয়ে চলেছে,
চাঁদের ব্যাথা ভরা আলোর কাহিনী
রাজপথের ধূলায় লুটিয়ে পড়ছে,
শয়নগৃহের আধো অন্ধকারে –
প্রকৃতির সেতার থেকে একটি ক্লান্ত রাগিনী,
হালকা হালকা সুরে যেন শোনা যাচ্ছে ।

 

Image result for muslim paintings of man woman lovers

 

Mujhse pahli-si mahabbat

 young_lovers

মুঝসে পহলি-সি মহব্বৎ, মেরি মহবুব, ন মাংগ

মুঝসে পহলি-সি মহব্বৎ, মেরি মহবুব, ন মাংগ ।
ম্যায়নে সমঝা থা কে তু হ্যায় তো দরশাঁ হ্যায় হয়াৎ,
তেরা ম্ হ্যায় তো ম্-এ-দহর্‌ কা ঝগ্‌ড়া ক্যায়া হ্যায় ?
তেরি সুরত্ সে হ্যায় আলম্‌ মেঁ বহারোঁ কো সবাত্‌,
তেরি আখোঁ কে সিওয়া দুনিয়া মেঁ রক্‌খা ক্যায়া হ্যায় ?
তু জো মিল যায়ে তো তকদির নিগোঁ হো জায়ে,
য়ুঁ ন থা, ম্যাঁয়নে ফকৎ চাহা থা য়ুঁ হো যায়ে –
অওর ভি দুখ হ্যায় মানে মেঁ মহব্বৎ কে সিওয়া,
রাহতেঁ অওর ভি হ্যায় ওয়স্ল কি রাহত কে সিওয়া,
অনগিনত্ সদিয়োঁ কে তারিক বহেমানা তিলিসম্
রেশম্ অ অতলস্ অ কমখাব মেঁ বনওয়ায়ে হুয়ে,
জা-ব-জা বিকতে হুয়ে কুচা ও বাজার মেঁ জিসম্ম,
খাক মেঁ লিথড়ে হুয়ে, খুন মেঁ নহলায়ে হুয়ে,
জিসম্ নিকলে হুয়ে অমরা কে তন্নুরোঁ সে,
পিপ্ বহতি হুই গলতে হুয়ে নাসুরোঁ সে-
ল ও ট যাতি হ্যায় উধর কো ভি নর, ক্যায়া কি যে ?
অব ভি দিলকশ হ্যায় তেরা হুস্ন, মগর ক্যায়া কি যে ?

রাহতেঁ অওর ভি হ্যায় ওয়স্ল কি রাহত কে সিওয়া,

মুঝসে পহলি-সি মহব্বৎ, মেরি মহবুব, ন মাংগ ।

 

অনুবাদ

 

আমার প্রিয়া, আমার কাছে আর আগের মতো প্রেম চেওনা

আমার কাছে সেই আগের মতো প্রেম, আমার প্রিয়া, আর চেওনা ।
আমি ভেবেছিলাম যে তুমি আছো বলেই এ জীবন এত উজ্জল;
তুমি যদি অসুখী হও তবে যুগান্তের বেদনা নিয়ে বিতর্কে কাজ কি ?
তোমার সৌন্দর্য্যের জন্য ই এই পৃথিবীতে বসন্ত স্হায়ী হয়েছে,
এই দুনিয়ায় তোমার চোখ দুটি ছাড়া আর আছেই বা কি ?
তোমায় যদি কাছে পাই তবে আমার ভাগ্য হবে অবনমিত ।
তা সত্যি ছিলনা, আমি শুধু চেয়েছিলাম যেন তা সত্যি হ্য;
প্রেমের বেদনা ছাড়াও অন্য বেদনা এই দুনিয়ায় আছে,
মিলনের উল্লাস ব্যতীত আরও অন্য আনন্দও আছে ।
অসংখ্য শতাব্দীর কালো জান্তব সম্মোহন,
রেশম, সাটিন এবং কিংখাবের মাঝে বোনা, –
শরীর বিকিয়ে যাচ্ছে সর্বত্র – সংকীর্ণ গলিতে ও বাজারে,
ধূলি-ধূসরিত, রক্ত-স্নাত,
ব্যাধির চুল্লী থেকে বের হয়ে আসা সব অবয়ব,
পুঁজ-রক্ত বয়ে যাচ্ছে দূষিত ক্ষত হতে –
আমার দৃষ্টি যে ওই দিকেও ফিরে চায়, কি করা যায় ?
এখনোও তোমার সৌন্দর্য্য আজও মনোমুগ্ধকর, কিন্তু কি করা যায় ?
প্রেমের বেদনা ছাড়াও অন্য বেদনা এই দুনিয়ায় আছে,
মিলনের উল্লাস ব্যতীত আরও অন্য আনন্দও আছে ।
আমার কাছে সেই আগের মতো প্রেম, আমার প্রিয়া, আর চেওনা ।

 

 

 

 

 

Ashar and Sarud-e-shabana

MP4

                   অশার

রাত য়ুঁ দিল্ মেঁ তেরি খোঈ হুই ইয়াদ আঈ
য্যায়সে ভীরানে মেঁ চুপকে-সে বহার আ যায়ে
য্যায়সে সহরাওঁ মেঁ হো্লে-সে চলে বাদ-এ-নসীম
য্যায়সে বীমার কো বে-ওয়জহ্ করার আ যায়ে
অনুবাদ
          কবিতার স্তবক
রাতে তোমার হারিয়ে যাওয়া স্মৃতি আমার হৃদয়ে এমন ভাবে এসেছিল
যেমন শূন্য প্রান্তরে চুপিচুপি বসন্ত আসে
যেমন মরু প্রান্তরে ধীরে ধীরে বয় বসন্ত সমীরণ
যেমন অসুস্হ্য মানুষের হঠাৎ অকারণ আরোগ্য এসে যায়
————————————-
          সারুদ-এ-শবানা
নিম্ শব্, চান্দ, খুদ্-ফরামোশি;
মহফিল-এ-হস্ত্-ও-বুদ্ ভীরান হ্যয়,
পয়্যকর-এ-ইলতিজা হ্যয় খামোশী,
ম্-এ-অঞ্জম ফসরদা সামান হ্যয়,
আবসার-এ-সকুত জারি হ্যয়,
চার সু বে-খুদিসি তারি হ্যয়,
জিন্দগি জব-এ-খোয়াব হ্যয় গোওয়া
সারি দুনিয়া সরাব হ্যয় গোওয়া;
সো রহি হ্যয় ঘনে দরতোঁ পর্
চান্দনী কি থকি হুঈ আওয়া;
কহকশাঁ নিম্ ওয়া নিগাহোঁ সে –
কহ রহি হ্যয় হদিশ-এ-শওক-এ-নায়া
সা-এ-দিল্ কে খামোশ তারোঁ সে,
ছান রহা হ্যয় খুমার-এ-কইফ আগিন –
আরজু, খোয়াব, তেরা রু-এ-হসীন ।
        অনুবাদ
             নিশীথের গান
মধ্যরাত্রি, চাঁদ, আত্ম-বিস্মৃতি;
এই বেঁচে থাকার মহফিল ধ্বংসপ্রাপ্ত
নিস্তব্ধতা ই যেন আশার প্রতিমূর্তি
তারাদের ওই মিছিল যেন একটি বিষাদময় বস্তু।
নৈশব্দের ঝর্ণা বয়ে চলেছে,
চারিদিকে যেন একটি সংজ্ঞাহীনতা ছেয়ে রয়েছে,
জীবন যেন এক টুকরো এক স্বপ্ন –
সারা পৃথিবী যেন এক মরীচিকা।
ঘন বৃক্ষচূড়ায় নিদ্রিত জ্যোৎস্নার ক্লান্ত স্বর,
ছায়াপথ তার অর্ধ-নিমীলিত দৃষ্টিতে,
আত্মসমর্পণের আসক্তির কাহিনী বলছে।
হৃদয়ের নীরব বীণাটির তার থেকে
একটি সুখময় মত্ততা ঝরে পড়ছে –
কামনা, স্বপ্ন, তোমার সুন্দর মুখ ।
——————————