Ham loge

Pixabay4

          হম্ লোগ

দিল্ কে অইওয়াঁন মেঁ লিয়ে গুল্‌-শুদা শমোঁ কী কতার,

নূর-এ-খুওয়ারশিদ সে সহমে হুয়ে, উক্তায়ে হুয়ে,

হুস্ন-এ-মহবুব কে সইয়াল তসব্য়ুর কী তরহ,

অপনি তারিকী ক ভিন্‌চে হুয়ে, লিপ্টায়ে হুয়ে;

 

ঘায়ত্-এ-সুদ-ও-জিয়াঁন, সুরত্-এ-আঘাজ-ও-মাল,

উয়োহি বে-সুদ তজস্সুস, উয়োহি বে-কার সওয়াল,

মহিল্ সাঅত্-এ-ইমরো কী বে-রঙ্গী সে,

ইয়াদ-এ-মজী সে মীঁ, দহশত-এ-ফর্দা সে নিধাল;

 

তিশ্ন অফ্‌কার জো তস্কীন নহীঁ পাতে হ্যায়,

সোতা অশক্ জো আঁখোঁ মেঁ নহীঁ আতে হ্যাঁয়,

এক কড়া দর্দ কে জো গিত মেঁ ঢলতা হী নহীঁ,

দিল্ কে তারীক শিগাফোঁ সে নিকল্‌তা হী নহীঁ;

 

ঔর এক উলঝী হুই মৌহুম্-সি দরমাঁ কী তলাশ,

দশ্ত ও জিন্দাঁন কী হভস্, চাক-এ-গিরিবাঁ কী তলাশ ।

 

       অনুবাদ

 

আমরা

হৃদয়ের সভাঘরে একসারি নিভে যাওয়া বাতি নিয়ে,

সূর্যালোকে সন্ত্রস্ত, নৈরাশ্য তাড়িত,

প্রিয়তমার সৌন্দর্য্যের বয়ে চলা রঙিন কল্পনার মতো,

আমরা আমাদের নিজস্ব অন্ধকারের সঙ্গে বিজড়িত হয়ে আঁকড়ে ধরে থাকি;

 

লাভ এবং ক্ষতির অভিপ্রায়, প্রারম্ভ ও সমাপ্তির দর্শন,

সেই একই নিষ্ফল জিজ্ঞাসা, সেই একই নিরর্থক প্রশ্ন,

আজকের মুহূর্তের বিবর্ণতায় পরিশ্রান্ত,

অতীতের স্মৃতি-ভারে ব্যথিত, আগামীকালের ভীতিতে পক্ষাঘাত-গ্রস্থ ।

 

তৃষ্ণার্ত ভাবনা যা শান্তি পায়না

জ্বলন্ত অশ্রু যা চোখে আসেনা,

এক তীব্র বেদনা যা সঙ্গীতে পরিণত হয়না,

হৃদয়ের অন্ধকার সঙ্কীর্ণতা থেকে মুক্তি পায়না ।

 

আর প্রতিকারের জন্য আরও একটি জটিল, বিভ্রান্ত  অনুসন্ধান –

মরু ও কারাগারের আকাঙ্ক্ষা, জীর্ণ এক পরিচ্ছদের তল্লাশ ।

 

 

 

Advertisements

Bol

Baloon

          বোল

 

বোল কে লব্ আজাদ হ্যায় তেরে –

বোল, জবান অব্ তক্ তেরি হ্যায়,

তেরা সুতওয়াঁ, জিসম্ হ্যায় তেরা –

বোল – কে জান অব তক্ তেরি হ্যায় ।

 

দেখ্ কে আহ নগর কি দুকান মেঁ

তুন্দ্ হ্যায় শোলে, সুর্খ হ্যায় আহঁ,

খুলনে লগে কুফ্লোঁ কে দহানে

ফ্যায়লা হর্-এক ঞ্জীর কা দামন ।

 

বোল, ইয়ে থোড়া ওয়ক্ত বহত্ হ্যায়,

জিসম্ ও বান কি মওত্ সে পহলে;

বোল্, কে সচ্ জিন্দা হ্যায় অব্ তক্ –

বোল, যো কুছ্ কহনা হ্যায় কহ্ লে !

 

অনুবাদ

                   বল্

 

বল্, কারণ তোর অধর স্বাধীন,

বল্, জিহ্বা এখনও তোর নিজেরই আছে,

তোর ঋজু শরীর এখনও তোরই –

বল্, কারণ প্রাণ এখনও তোরই আছে ।

 

দ্যাখ্, কেমন ঐ কামারশালায়,

অগ্নিশিখা উত্তপ্ত, লৌহ রক্তরাঙা,

তালা গুলির মুখও খুলতে শুরু করেছে

আর প্রতিটি শিকলের আঁচল গেছে বিছিয়ে ।

 

বল্, এই অল্প সময়টুকু তো অপর্যাপ্ত

শরীর ও জিহ্বার মৃত্যু হওয়ার আগেই

বল্, যে সত্য আজও বেঁচে আছে –

বল্, তোর যা বলার আছে, বলে নে এই বেলা ।

 

 

Tanhayee

Pixabay5

 

তনহাঈ

ফির্ কোঈ আয়া, দিল্-এ-জার! নহিঁ, কোঈ নহিঁ;

রাহ্-রউ হোগা, কহিঁ ঔর চলা যায়েগা ।

ঢল্ চুকি রাত, বিখর্‌নে লগা তারোঁকা ঘুবার,

লড়্‌খনানে লগে অয়ওয়ানোঁ মেঁ ওয়াবিদা চরা,

 

সো গঈ রাস্তা তক্ তক্-কে হর্ এক রাহ্-গুজার;

অজনবি খাক-নে ঢুন্ড্‌লা দিয়ে কদমোঁ কে সুরা

গল্ করো শমী, বর্‌হা দো ময়্‌ ও মিনা ও অয়া,

অপ্‌নে বে-ওয়াব কভারোঁ কো মুফ্ফল্ কর-লো;

অব্ য়ঁহা কোঈ নহিঁ, কোঈ নহিঁ আয়েগা !

 

অনুবাদ

 

নিঃসঙ্গতা

আবার কেউ এসেছে, আমার বিষণ্ণ হৃদয়, না কেউ না;

হয়তো কোনও পথিক, অন্য কোথাও চলে যাবে ।

রাত শেষ হয়েছে, তারাদের মেঘও কেটে যেতে শুরু করেছে ,

সভাকক্ষে স্বপ্নিল প্রদীপ গুলি কাঁপতে সুরু করেছে,

 

পথগুলি পথিকের পদধ্বনির আশায় থেকে থেকে এখন ঘুমিয়ে পড়েছে;

অপরিচিত ধুলোতে পায়ের চিহ্ন অস্পষ্ট করে ফেলেছে ।

বাতি নিভিয়ে দাও, দূর করে দাও সুরা এবং পান-পাত্র এবং পেয়ালা,

নিজের নিদ্রাবিহীন প্রবেশপথের দরজা গুলি বন্ধ করে দাও;

 

এখন এখানে কেউ না, কেউ আর আসবেনা ।

 

 

 

Mere hamdam, mere dosht

 

   MP3

       মেরে হমদম্, মেরে দোস্ত

গর্ মুঝে ইস্ কা য়কীঁ হো, মেরে হমদম্ মেরে দোস্ত –
গর্ মুঝে ইস্ কা য়কীঁ হো, কে তেরে দিল্ কি থকন্,
তেরি আখোঁ কি উদাসী, তেরে সীনে কি জ্বলন্ ,
মেরি দিল্-জুই, মেরে প্যার সে মিট্ জায়েগী;
গর্ মেরা হরফ্-এ-তসল্লী উয় দওয়া হো জিস্-সে
জি উঠে ফির্ তেরা উজড়ে হুয়া বে-নূর দিমাগ।
তেরি পেশানী সে ধূল যায়েঁ ইয়ে তলিল কে দাগ
তেরি বিমার জওয়ানী কো শিফা হো যায়ে –
গর্ মুঝে ইস্ কা য়কীঁ হো, মেরে হমদম্ মেরে দোস্ত,
রো-ও-শব্, শাম-ও-সহর, ম্যয় তুঝে বহলাতা রহুঁ,
ম্যয় তুঝে গীত শুনাতা রহুঁ, হলকে, শিরিন,
আবশারোঁকে, বহারোভা, চমন্জারোঁকে গীত,
আমদ্-এ-সুবহ্ কে, মহতাব কে, সইয়ারোঁ কে গীত;
তুঝ্-সে ম্যয় হুস্ন ও মহাব্বত্ কি হিকায়াত কহুঁ ।
ক্যয়সে মরূর হসিনাওঁ কে বরফাব সে জিসম্
গর্ম হাথোঁ কি হরারত্ মেঁ পিঘল্-যাতে হ্যাঁয়;
ক্যয়সে এক চেহরে কে ঠহরে হুয়ে মানুস্ নকুস্
দেখতে দেখতে য়ক্ লত্ বদল্-যাতে হ্যাঁয়;
অনুবাদ
         আমার সাথী, আমার বন্ধু
যদি আমি নিশ্চিত ভাবে জানতাম, আমার সাথী, আমার বন্ধু –
যদি আমি নিশ্চিত ভাবে জানতাম, যে তোমার হৃদয়ের ক্লান্তি,
তোমার চোখের ওই অনাসক্তি, তোমার বুকের ওই জ্বালা,
আমার সমবেদনা, আমার ভালোবাসায় মিটে যাবে ;
যদি আমার সমবেদনার বাণী হোত সেই ঔষধ, যাতে
তোমার নষ্ট হয়ে যাওয়া অনুজ্জ্বল মন আবার জেগে ওঠে;
তোমার ললাট হতে লাঞ্ছনার এই দাগ মুছে যায়
তোমার অসুস্থ যৌবন আবার তরতাজা হয়ে ওঠে –
যদি আমি একথা বিশ্বাস করতাম, আমার সাথী, আমার বন্ধু,
দিবারাত্রি, সকাল-সন্ধ্যা, আমি তোমায় আনন্দে রাখতাম,
তোমায় গান শোনাতাম – হাল্কা, সুধাময়,
ঝর্ণার, বসন্তের, আর উদ্যান-পথের গান,
ভোর বেলার, চাঁদের আলোর, গ্রহতারার গান,
তোমাকে সৌন্দর্য্য ও ভালোবাসার কাহিনী শোনাতাম ।
কেমন করে অহংকারী সুন্দরীদের বরফের মতো শীতল শরীর,
উষ্ণ হাতের উত্তাপে বিগলিত হয়ে যায় –
কেমন করে একটি মুখের নিশ্চল প্রিয় মুখাকৃতি,
দেখতে দেখতে হঠাৎ সবকিছু পাল্টে যেতে থাকে ।
————————————-
কিস্ তরহ্ আরি-এ-মহবুব কা শফ্ফাফ বিলৌর
য়ক্-ব্-য়ক্ বাদহ্-এ-এহমর্ সে দহক্ যাতা হ্যায়;
ক্যয়সে গুলচিন্ কে লিয়ে ঝুকতি হ্যায় খুদ্ শাখ-এ-গুলাব,
কিস্ তরহ্ রাত কা অইয়াঁন মহক্ যাতা হ্যায় ।
য়ুঁ-হি গাতা রহুঁ, গাতা রহুঁ, তেরি খাতির্,
গীত বুনতা রহুঁ, ব্যয়ঠা রহুঁ, তেরি খাতির ।
পর্ মেরে গীত তেরে দুখ্ কা মুদাওয়া হি নহিঁ,
মা জররাহ্ নহিঁ, মুনিস্ ও ম্-খ্যোআর সহি;
গীত নিশ্তর তো নহিঁ, মরহম্র-এ-আজার সহি ।
তেরে আজার কা চারহ্ নহিঁ, নিশ্তর কে সিওয়া,
ঔর ইয়ে সফ্ফাক মসিহা মেরে জে মেঁ নহিঁ,
ইস্ জাহাঁ কে কিসি জি-রুহ্ কে জে মেঁ নহিঁ,
হাঁ মগর্ তেরে সিওয়া, তেরে সিওয়া, তেরে সিওয়া ।
অনুবাদ
কেমন করে প্রিয়তমার স্বচ্ছ স্ফটিকের মতো গাল
হঠাৎ রক্তিম সুরার প্রভাবে রাঙা হয়ে ওঠে ;
কেমন করে গোলাপের শাখা নিজেকে মা্লাকরের দিকে নুইয়ে দেয়;
আর কেমন করে রাতের সভাগৃহ সুগন্ধে ভরে ওঠে;
এমনি করে গান গেয়ে যাই, গান গেয়ে যাই, তোমার জন্য,
গানের জাল বুনি, আর বসে থাকি, তোমার জন্য ।
কিন্তু আমার গান তোমার দুঃখের নিবারণ  নয়,
সুর তো কোনও শল্য-চিকিৎসক  নয়, যদিও তা স্বান্তনা ও সমবেদনা পূর্ণ;
গান অস্ত্র তো নয়, হয়তো ক্ষতের উপর একটু প্রলেপ হতে পারে ।
তোমার অসুখের কোনও নিবৃত্তি নেই অস্ত্রোপচার ছাড়া –
আর এই দেবদূত-অস্ত্রপচারকারী আমার অধীনে নেই,
এই পৃথিবী তে কোনও প্রানীরই অধীনে নেই,
হ্যাঁ, শুধু তুমি ছাড়া, তুমি ছাড়া, তুমি ছাড়া ।

 

Kuttey

 Kuttey (1)

                 কুত্তে

 

ইয়ে গলিওঁ কে আওয়ারা কুত্তে,
কে বশা গয়া জিন্-কো ওক-এ-গদাঈ,
জমানে কি ফিটকার সরমায়া উনকা,
জহাঁ ভর্ কি ধত্ কার উনকি কমাঈ ।
না আরাম শব্ কো না রাহত সওয়েরে,
গিলাত্ মেঁ ঘর্, নালিওঁ মেঁ বসেরে;
যো বিগড়ে তো এক দুসরে সে লড়া দো,
রা এক্ রোটি কা টুকরা দিখা দো –
ইয়ে হরেক কি ঠোকরেঁ খানেওয়ালে,
ইয়ে ফাঁকো সে উকতাকে মর্-জানেওয়ালে,
ইয়ে মলুম মলুক গর্ সর্ উঠায়ে,
তো ইনসান সব্ সরকশী ভুল যায়ে ;
ইয়ে চাহে তো দুনিয়া কো আপনা বনা-লেঁ,
ইয়ে আকাওঁ কি হড্ডিয়াঁ তক্ চবা-লেঁ –
কোঈ ইন্ কো য়হসাস-এ-জিল্লত্ দিলা  দে,
কোঈ ইন্ কি সোঈ হুঈ দুম্ হিলা দে ।
   অনুবাদ

          কুকুর গুলো

 
এই গলির আওয়ারা নিষ্কর্মা কুকুর গুলো,
যাদের ওপর ভিক্ষাবৃত্তির ব্যগ্রতা আরোপ করা হয়েছে।
কালের অভিশাপ তাদের সম্পত্তি,
সারা দুনিয়ার ধিক্কারই তাদের উপার্জন,
রাতে নেই বিশ্রাম, প্রভাতে নেই আরাম,
মলিনতায় ওদের বসতি, নর্দমাগুলিতে আশ্রয়;
যদি অসন্তোষ প্রকাশ করে তো,
একটির সঙ্গে আর একটির লড়াই বাঁধিয়ে দাও,
শুধু ছোট্ট একটা রুটির টুকরো দেখিয়ে দাও ।
এই সকলের লাথি খেয়ে বেড়ানো,
এই উপবাসে ক্লিষ্ট হয়ে মরে যাওয়া,
এই অত্যাচারিত প্রানীগুলি যদি কখনও মাথা তোলে,
তবে মনুষ্যজাতি তার ঔদ্ধত্য ভুলে যাবে ।
এরা যদি চায় তো দুনিয়া কে দখল করতে পারে,
এরা যদি চায় তো এদের প্রভুদের অস্থি চিবিয়ে খাবে –
কেউ যদি শুধু এদের অধঃপতন সম্পর্কে চেতনা উদ্বুদ্ধ করে,
শুধু কেউ যদি এদের ঘুমন্ত লেজ ধরে ঝাঁকিয়ে দেয় ।

 

 

Khuda wo wakt na laye

pixabay2

       

 খুদা উয় ওয়ক্ত ন লায়ে

খুদা উয় ওয়ক্ত ন লায়ে কে সগ্ওয়ার হো তু,
সুকুন কি নিন্দ্ তুঝে ভি হারাম হো যায়ে,
তেরি মসররত্-এ-প্যায়হম তমাম হো যায়ে,
তেরি হয়াত্‌ তুঝে তলখ্ জাম হো যায়ে,
 
মোঁ সে আইনা-এ-দিল্ গুদা হো তেরা,
হজুম-এ-ইয়াস সে বে-তাব হো কে রহ যায়ে,
উয়ফুর-এ-দর্দ সে সীমাব হো কে রহ যায়ে,
তেরা শবাব ফকত্ খোয়াব হো কে রহ যায়ে,
 
গুরুর-এ-হুস্ন সরাপা ন্যায়ায হো তেরা,
তউইল রাতোঁ মেঁ তু ভি করার কো তরসে,
তেরি নিগাহ্ কিসি ম্-গুসার কো তরসে,
জাঁ-রসিদা তমন্না বহার কো তরসে,
 
কোঈ জবিঁ ন তেরে সংগ-এ-আস্তাঁ পে ঝুকে
কে জিনস-এ-অজ-ও-অকীদত্ সে তুঝ কো শাদ করে,
ফরেব-এ-ওয়াদা-এ-ফরদা পে ইতমাদ করে;
 
খুদা ওয় ওয়ক্ত ন লায়ে কে তুঝ কো ইয়াদ আয়ে
ওয় দিল কে তেরে লিয়ে বে-করার অব্ ভি হ্যায়,
ওয় আঁখ জিস্ কো তেরা ইনতজার অব্ ভি হ্যায়।
 
                     অনুবাদ
 
      ঈশ্বর যেন সেদিন না আনে
ঈশ্বর যেন সেদিন না আনে, যখন তুমি বেদনার্ত,
শান্তির ঘুমও যখন তোমার বারণ,
তোমার নিরবিচ্ছিন্ন আনন্দের হয়েছে পরিসমাপ্তি –
তোমার জীবন যেন তোমার কাছে তিক্ত পেয়ালায় পরিণত হয়েছে।
 
তোমার হৃদয়ের আয়না বেদনায় বিগলিত হয়েছে,
এক ঝাঁক আশাহীনতায় তুমি বিচলিত হয়ে পড়েছ;
নানা দুর্দশা তে তুমি পারদের মতো অস্থির হয়ে পড়;
তোমার যৌবন শুধু যেন এক স্বপ্নে পরিণত হয়েছে,
 
তোমার সৌ্ন্দর্যের অহংকার চূর্ণ হয়েছে;
সুদীর্ঘ রা্ত্রিগুলিতে তুমিও শান্তির জন্য ব্যাকুল,
তোমার দৃষ্টি খুঁজে ফেরে কোনও সমব্যাথীর স্বান্তনা।
যেমন করে শরতের আশা বসন্তের জন্য ব্যাকুল হয়,
 
কারো ললাট যেন তোমার চৌকাঠের পাথরে না নত হয়,
তোমায় তার আত্মসমর্পন ও আনুগত্য দিয়ে খুশী করে,
আগামীকালের মিথ্যে প্রতিশ্রুতিতে তোমার বিশ্বাস উৎপাদন করে ।
 
ঈশ্বর যেন সেদিন না আনে,
যখন তোমার মনে পড়ে যাবে সেই হৃদয়ের কথা,
যা তোমার জন্য আজও ব্যাকুল;
সেই চোখদুটির কথা যা আজও তোমার অপেক্ষায় আছে ।

Image result for muslim paintings of man woman lovers